একনজরে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য ও পরিকল্পনা
- নবম পে-স্কেল: বর্তমান আর্থিক সক্ষমতা ও মোট বরাদ্দের পরিমাণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
- রাজস্ব পরিস্থিতি: দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত সর্বনিম্ন; এটি উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
- প্রতিষ্ঠান সংস্কার: রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব এবং কাজের দক্ষতা (Efficiency) ফিরিয়ে আনা হবে।
- গণতান্ত্রিক অর্থনীতি: ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ বন্ধ করে সবার জন্য সমান সুযোগের (Level Playing Field) অর্থনীতি গড়া হবে।
- শিল্পের বহুমুখীকরণ: শুধু ম্যানুফ্যাকচারিং নয়, কুটির শিল্প (যেমন: শীতলপাটি) ও অনলাইন মার্কেটিংকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
- ইনস্টিটিউশন রিকভারি: ভেঙে পড়া রাষ্ট্রীয় কাঠামোগুলোকে পুনরায় কার্যকর ও আধুনিক করা হবে।
আরও পড়ুন:
পে স্কেল বাস্তবায়ন ও সক্ষমতা যাচাই (Pay Scale and Financial Capacity)
সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল নিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, এই মুহূর্তে না দেখে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, "আমাদের দেখতে হবে মোট আর্থিক সংশ্লেষ কত এবং বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় এটি কতটুকু বাস্তবায়নযোগ্য। দক্ষিণ এশিয়ায় আমাদের ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত (Tax-to-GDP Ratio) সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে। রাজস্ব আয়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
প্রতিষ্ঠান সংস্কার ও পেশাদারিত্ব (Institutional Reform and Professionalism)
অর্থমন্ত্রী ৫ আগস্ট পরবর্তী জনআকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে বলেন, "রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমানে যে স্থবিরতা ও খারাপ অবস্থা বিরাজ করছে, তা কাটিয়ে উঠতে হবে। আমাদের ইনস্টিটিউশন রিকভারি (Institution Recovery) করতে হবে। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা এবং দক্ষতা (Efficiency) ফিরিয়ে আনাই হবে নতুন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।"
আরও পড়ুন:
পৃষ্ঠপোষকতা নয়, গণতান্ত্রিক অর্থনীতি (Democratic Economy vs Patronage Economy)
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন যে, এখন থেকে দেশে ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ (Patronage Economy) আর চলবে না; বরং একটি ‘গণতান্ত্রিক অর্থনীতি’ (Democratic Economy) গড়ে তোলা হবে। যেখানে সকল মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (Level Playing Field) তৈরি করা হবে যাতে প্রতিটি নাগরিকের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছায়।
অর্থনীতির বহুমুখীকরণ (Economic Diversification)
তিনি শুধুমাত্র উৎপাদনমুখী বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের ওপর নির্ভর না থেকে অর্থনীতিকে সংস্কৃতি ও ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের সাথে যুক্ত করার আহ্বান জানান। উদাহরণ হিসেবে তিনি বরিশালের শীতলপাটি (Traditional Mat) শিল্পের আধুনিকায়ন ও অনলাইন মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা স্থানীয় কারিগরদের জীবনমান পরিবর্তনে সহায়ক হবে।
আরও পড়ুন:
বিষয় (Topic) অর্থমন্ত্রীর অবস্থান ও পরিকল্পনা নবম পে-স্কেল (9th Pay Scale) আর্থিক সক্ষমতা যাচাই ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠান সংস্কার (Institution Reform) স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা অর্থনৈতিক মডেল (Economic Model) পৃষ্ঠপোষকতার পরিবর্তে 'গণতান্ত্রিক অর্থনীতি' প্রতিষ্ঠা রাজস্ব আদায় (Tax-GDP) দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন হার থেকে উত্তরণের পরিকল্পনা বাজার ও কর্মসংস্থান (Market) ক্ষুদ্র শিল্প ও অনলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সুযোগ সৃষ্টি
আরও পড়ুন:
নবম বেতন স্কেলে কোন গ্রেডে বেতন কত বাড়ছে (গ্রেডভিত্তিক চুড়ান্ত তালিকা)
গ্রেড (Grade) বর্তমান মূল বেতন (৮ম স্কেল) সুপারিশকৃত মূল বেতন (৯ম স্কেল) ১ম গ্রেড ৭৮,০০০ টাকা (নির্ধারিত) ১,৬০,০০০ টাকা ২য় গ্রেড ৬৬,০০০ টাকা ১,৩২,০০০ টাকা ৩য় গ্রেড ৫৫,৫০০ টাকা ১,১৩,০০০ টাকা ৪র্থ গ্রেড ৫০,০০০ টাকা ১,০০,০০০ টাকা ৫ম গ্রেড ৪৩,০০০ টাকা ৮৬,০০০ টাকা ৬ষ্ঠ গ্রেড ৩৫,৫০০ টাকা ৭১,০০০ টাকা ৭ম গ্রেড ২৯,০০০ টাকা ৫৮,০০০ টাকা ৮ম গ্রেড ২৩,০০০ টাকা ৪৭,২০০ টাকা ৯ম গ্রেড ২২,০০০ টাকা ৪৫,১০০ টাকা ১০ম গ্রেড ১৬,০০০ টাকা ৩২,০০০ টাকা ১১তম গ্রেড ১২,৫০০ টাকা ২৫,০০০ টাকা ১২তম গ্রেড ১১,৩০০ টাকা ২৪,৩০০ টাকা ১৩তম গ্রেড ১১,০০০ টাকা ২৪,০০০ টাকা ১৪তম গ্রেড ১০,২০০ টাকা ২৩,৫০০ টাকা ১৫তম গ্রেড ৯,৭০০ টাকা ২২,৮০০ টাকা ১৬তম গ্রেড ৯,৩০০ টাকা ২১,৯০০ টাকা ১৭তম গ্রেড ৯,০০০ টাকা ২১,১০০ টাকা ১৮তম গ্রেড ৮,৮০০ টাকা ২১,০০০ টাকা ১৯তম গ্রেড ৮,৫০০ টাকা ২০,৫০০ টাকা ২০তম গ্রেড ৮,২৫০ টাকা ২০,০০০ টাকা





