একনজরে পে স্কেল সংক্রান্ত তথ্য
বিষয় (Topic) বর্তমান অবস্থা (Status) পে কমিশন গঠন ২৭ জুলাই, ২০২৫ সুপারিশ জমা ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ বাস্তবায়নের সময়কাল ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হবে
আরও পড়ুন:
বৈঠকের বিস্তারিত ও নেতাদের বক্তব্য (Meeting Details and Leaders' Statements)
সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (Bangladesh Secretariat Service Association) সভাপতি মো. আব্দুল খালেক এবং সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের (Govt Employee Rights Council) সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে এম এ হান্নান সাংবাদিকদের জানান, প্রতিমন্ত্রী তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে শুনেছেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Prime Minister Tarique Rahman) যেহেতু পে স্কেল দেওয়ার কথা বলেছেন, তাই আপনারা অবশ্যই তা পাবেন। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি ধাপে ধাপে বা কিছুটা সময় নিয়ে বাস্তবায়ন করা হবে। আপনারা ধৈর্য ধরুন।”
পে কমিশনের সুপারিশ ও বর্তমান অবস্থা (Pay Commission Report and Status)
সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে গত বছরের ২৭ জুলাই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি পে কমিশন (Pay Commission) গঠন করেছিল। কমিশনটি দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেয়। বর্তমানে এই সুপারিশগুলো অর্থ মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Finance) বিবেচনাধীন রয়েছে। যদিও মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে এটি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি, তবে অর্থ প্রতিমন্ত্রীর এই আশ্বাস কর্মচারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
আরও পড়ুন:
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের সর্বশেষ আপডেট
বিষয় (Particulars) বিস্তারিত তথ্য (Details) ঘোষণাকারী মো. জোনায়েদ সাকি, অর্থ প্রতিমন্ত্রী বাস্তবায়নের ভিত্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পে কমিশন গঠন ২৭ জুলাই, ২০২৫ সুপারিশ জমা দান ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ কার্যকরের সময়সীমা ধীরে ধীরে/পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে বর্তমান অবস্থা সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন ও বাজেট সমন্বয় সাপেক্ষে প্রধান শর্ত আর্থিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ধাপে ধাপে কার্যকর করা
আরও পড়ুন:





