শবে বরাত ঘিরে দাম বেড়েছে মুরগি, গরুর মাংসসহ মসলা পণ্যের

কাঁচাবাজার
বাজার
0

শবে বরাত ঘিরে রাজধানীর বাজারে চাহিদার সঙ্গে দামও বেড়েছে মুরগি, গরুর মাংসসহ কয়েক ধরনের মসলা পণ্যের। এদিকে খুচরা পর্যায়ে আলুর দামও কিছুটা বাড়তি। অন্যদিকে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি।

ছুটির দিনে স্বাভাবিকভাবেই চাপ বাড়ে ক্রেতার। তবে শবে বরাত ঘিরে শুক্রবারের বাজোরে ভিড় আরকটু বেশি।

শবে বরাত উপলক্ষ্যে, বাজারে বেড়েছ মাংসের চাহিদা। আর তা কিনতে আগের চেয়ে কিছুটা বেশি দামই খরচ করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। রাজধানীর কাপ্তান বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকায়। অপরিবর্তিত রয়েছে সোনালি মুরগি ও ডিমের দর। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায়।

একজন গরুর মাংস বিক্রেতা বলেন, 'গরুর মাংস চাইতেছি ৭৮০ টাকা। কিন্তু আসলে ৭৫০ টাকায় পেয়ে যাবেন।'

একজন মুরগি বিক্রেতা বলেন, 'আগে ব্রয়লার ছিল ১৭০ টাকা। কিন্তু এখন বর্তমানে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা পাইকারি কিনতে হয়। সোনালি মুরগির দাম ভালো, খাইতে ভালো, মান ভালো। ওইটা ৩২০ টাকা কেজি চলছে।'

অনেকের ঘরেই হালুয়ার রুটির মতো খাবার তৈরি হয় শবে বরাতে। তাই বাজারে বাড়তি চাহিদা থাকে, মসলাজাতীয় পণ্য, চিনি, ছোলা, ডাল, গুঁড়ো দুধের। ক্রেতারা বলছেন, প্রতিটি পণ্যে কিনতে বাড়তি খরচ হচ্ছে তাদের।

একজন ক্রেতা বলেন, 'তারা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে আমাদের করার কিছু নেই। আমাদের সাধারণ মানুষের করার মতো কিছু নেই।'

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে আলুর দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। এজন্য পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়াকে কারণ বলছেন খুচরা বিক্রেতারা।

একজন বিক্রেতা বলেন, 'পাইকারি বাজারে আলুর দাম বাড়ছে। আগে ২০ টাকা ছিল, এখন আমরা ২৫ টাকা বিক্রি করছি।'

এদিকে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে চলমান বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট এখনও কাটেনি।

এসএস