শুধু তেল নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের দামেও লাগামহীনতা দেখা দিয়েছে। লেবু, শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।
একইভাবে শসা ও মরিচের দামেও বাড়তি চাপ পড়েছে ক্রেতাদের ওপর। এদিকে মুরগীর দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। গত এক সপ্তাহে কোনো কোনো পণ্যের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। তবে রমজানের প্রথম দিনের তুলনায় কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে পেঁয়াজ আলু ও টমেটোর দাম।
জেলা শহরের বাজারে দাম কিছু কম থাকলেও প্রান্তিক পর্যায়ে হাট বাজারে সব পণ্যই বিক্রি হচ্ছে লাগামহীন দামে।
আরও পড়ুন:
খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি বাজার ব্যবস্থা। রমজান সংযমের মাস হলেও নিত্য পন্যের বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব নেই। উল্টো ভোক্তা পর্যায়ে বাড়তি দামের কারণে বিপাকে ক্রেতারা। বিশেষ করে সীমিত আয়ের মানুষের কাছে বাড়তি দাম দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।
তবে ভোক্তা অধিদপ্তর বলছে, রমজান উপলক্ষে বাড়তি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে তারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার তদারকির জন্য ৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে অবৈধ মজুতদার ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।
সারা বছরের তুলনায় রমজান মাসে নিত্যপণ্যের চাহিদা বেশি থাকার কারণেই অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর সুযোগ নেয়। তাই দাম স্থিতিশীল রাখতে বাজার তদারকি আরও জোরদার করার দাবি সংশ্লিষ্টদের।





