রাত যত গভীর হয়, ততোই যেন নিদ্রাহীনতা বাড়ে পাইকারি বাজারের বিক্রেতাদের চোখে। রমজানের রাতেও ব্যস্ত সময় পার করতে হয় জীবন-জীবিকার তাগিদে।
গেল কয়েকদিন কাঁচামালের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও রমজানের দ্বিতীয় দিনে কিছুটা কমেছে দাম। কুমড়া প্রতি কেজি ১৬ থেকে ২০ টাকা, মুলা ১২ থেকে ২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বেড়েছে কিছু রোজার পণ্যের দাম। বেগুন ৭০ থেকে ১২০ টাকা, শশা ৭০ থেকে ১২০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১২০ টাকাতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪০ টাকায় নেমেছে।
একজন সবজি বিক্রেতা বলেন, ‘পণ্য অনেক বেশি তবে ক্রেতা কম। এ জন্য পণ্যের দাম কমে গেছে। চারদিন আগেও বাজার ভালো ছিলো। রমজান আসার পর থেকে বাজার খারাপ চলছে।’
পাইকাররা বলছেন, আগের চেয়ে কাঁচামালের চাহিদা কমেছে, একইসঙ্গে সরবরাহেও পরিবর্তন এসেছে।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম। দুই তিন-তিন দিন আগেও ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি ছিলো।
আরও পড়ুন:
ক্রেতা ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, কিছু সবজির দাম কমলেও মরিচ, টমেটো, শশা, বেগুন থেকে শুরু করে খেজুরের দাম এখনও বেশি।
একজন ক্রেতা বলেন, ‘দাম নিয়ন্ত্রণে আছে তবে কিছু কিছু পণ্যর দাম এখনো অনেক বেশি। ইফতারের সময় বেগুন, লেবুর প্রয়োজন হয় এগুলো পণ্যর দাম এখনো অনেক বেশি রয়েছে।’
এদিকে কমেছে মুরগির দামও। বয়লার ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে কেজি ১৯০ টাকা, সোনালি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, লেয়ার ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় ।
ক্রেতাদের আশা, তদারকি সংস্থার অভিযান ও সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক থাকলে ভোগান্তি আরও কমবে।




