ইসলামাবাদ আলোচনা ভেস্তে যাবার পর যেন আরও মরিয়া হয়ে উঠেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একের পর এক হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। ইরানের সব বন্দর অবরুদ্ধ কেবল নয়, চীন তেহরানকে সহায়তা করলে দেশটির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের দেয়া হুমকিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া সময় যদি ঠিক থাকে, তাহলে বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ৮টা নাগাদ ইরানের সব বন্দরের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ অবরোধ শুরু হবে। তবে ইরানের পথে আসা যাওয়া ছাড়া বাকিসব জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলের অনুমতি পাবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে আমরা অনেক ভালো কিছু করছি। যা আমাদের দেশের জন্যও অনেক ভালো কিছু হবে। আমরা বেশ শক্তিশালী অবস্থানে আছি।’
আরও পড়ুন:
ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলার কথা ভাবছেন, অন্যদিকে আইডিএফ যুদ্ধে ফেরার পরিকল্পনা করছে। এরমধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে ফের যুদ্ধের জন্য সেনাদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরাইলের সেনাপ্রধান। ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাতে এমন চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে ওয়াইনেট নিউজ ও টাইমস অব ইসরাইল। ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা তাদের মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে ইসরাইলের যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি বলে এরমধ্যেই হুমকি দিয়ে রেখেছেন নেতানিয়াহু।
সামরিক জাহাজ হরমুজের দিকে এগোলে, তা যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি। আর ট্রাম্পের হুমকিতে ইরান মাথা নত করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির স্পিকার বাঘের গালিবাফ।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির দাবি চুক্তির খুব কাছে থেকে ফিরে আসা হয়েছে। এজন্যই ওয়াশিংটনের গোয়ার্তুমিকে দায়ী করছেন তিনি।
ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ফের থমকে গেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য বলছে, হঠাৎই বন্ধ হয়ে গেছে জাহাজ চলাচল। এমনকি কিছু জাহাজ মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে বলেও জানা গেছে। যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।





