স্টারমার আরও বলেন, ‘আমার মতে, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং তা পুরোপুরি সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েকদিন ধরে আমরা ঠিক এ লক্ষ্যেই সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’
তবে ব্রিটিশ মাইন অপসারণকারী জাহাজ এবং ড্রোন-প্রতিরোধী ব্যবস্থা ওই অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন এক মুখপাত্র।
তিনি জানান, আমরা নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি সমর্থন করে যাচ্ছি, যা বিশ্ব অর্থনীতি এবং আমাদের দেশের জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দেওয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, সোমবার থেকে তারা ইরানি বন্দরগুলো অবরোধ করা শুরু করবে। তবে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে অন্য দেশে যাতায়াতকারী জাহাজ চলাচলে তারা ‘বাধা সৃষ্টি করবে না’ বলে জানিয়েছে। তবে, ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরান হুমকির মুখে নতি স্বীকার করবে না।





