এ শুভেচ্ছা বাণীতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অনুসঙ্গ। পার্বত্য অঞ্চলবাসীসহ বাংলাভাষীরা বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য জাতিসত্তা। পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু ও বিহু এবং নববর্ষ উপলক্ষে সব সম্প্রদায়ের প্রতি রইলো আমার অকৃত্রিম শুভেচ্ছা।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে পাহাড়ী বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী জনগণের ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির। উল্লিখিত উৎসবগুলি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক কর্মব্যাপ্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তাদের সৌন্দর্যমন্ডিত সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য জাতীয় ঐতিহ্যকে বর্ণ-বৈচিত্রে অসাধারণ রূপ করেছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির মর্মস্থলে স্থাপিত। মানুষে মানুষে আত্মিক বন্ধনের সুর আমাদের মৃত্তিকা থেকে উৎসারিত। বাংলার রাঙা মাটির পথে পথে শান্তি ও সহাবস্থানের গানই যুগ যুগ ধরে গীত হয়েছে। শ্রদ্ধাহীন স্পর্ধার সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্যে কখনো স্থান পায়নি।’
এদেশের সব নৃ-গোষ্ঠীর সমান অগ্রগতি ও বিকাশ কামনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলা নববর্ষের সব অনুষ্ঠান সুন্দর ও সার্থক হোক। বাংলা নববর্ষে সবার জীবন আনন্দঘন ও সুখময় হোক মনেপ্রাণে এটিই কামনা করি।’





