মধ্য ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র সিজ্জিল, আত্মঘাতী ড্রোন, শাহাব-ফাতেহ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে ইরান। শহরজুড়ে সাইরেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত সামলাতে বিপর্যস্ত ইসরাইলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
তেহরানের ডাউনটাউনে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে সোমবার রাত থেকে মোজাইক প্যাটার্নে ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ শহর ও পশ্চিমতীরে আইডিএফ ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে আইআরজিসি। ভিন্নভিন্ন কমান্ড সেন্টার থেকে অতর্কিতে হামলায় আতঙ্কে পড়েছে শত্রুপক্ষ।
আরও পড়ুন:
খারগ দ্বীপে হামলার জন্য ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়ায় আমিরাতের ওপর ক্ষোভ আরও বেড়েছে ইরানের। আজ (মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ) দুবাই, ফুজাইরাহ’র অয়েল ইন্ডাস্ট্রি জোন, আবুধাবির বানি ইয়াস এবং সবশেষে শাহ গ্যাসক্ষেত্রে আঘাত হেনেছে ইরানি ড্রোন। ভোরে ইরাকের বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে অন্তত পাঁচটি ড্রোন এবং রকেট হামলা চালানো হয়েছে। হামলা হয়েছে সুরক্ষিত জোনে থাকা আল-রশিদ হোটেলেও। হামলা হয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতেও। এছাড়াও বাগদাদে ইরান-সমর্থিত একটি গোষ্ঠীর ভবনে হামলায় অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, ভিন্ন ফ্রন্টে লেবাননের হিজবুল্লাহ’র সঙ্গে পাল্টাপাল্টি সংঘাত চলছে ইসরাইলের। আগ্রাসনের জেরে দক্ষিণ লেবানন ছেড়ে গেছেন সাড়ে আট লাখ বাসিন্দা।
এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প আবারও দাবি করছেন, খুব শিগগিরই শেষ হবে এ সংঘাত। তবে ইরান বলছে, কূটনৈতিক সমঝোতার আর কোনো সুযোগ নেই। যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, আলোচনার জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ।
এদিকে, আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযানে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানিসহ ন্যাটোভুক্ত কয়েকটি দেশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন ট্রাম্প। এর পরপরই মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যতের প্রশ্নে উপসাগরীয় দেশগুলোকে তেহরানের পক্ষে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি। আর ইরানের মেয়েদের স্কুলে হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।





