দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়ানো ইরান যুদ্ধে প্রতি মুহূর্তে বাড়াচ্ছে প্রাণহানি আর ক্ষতচিহ্ন। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ব্যয়বহুল সমরাস্ত্রের প্রতিক্রিয়ায় তেল-আবিব ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি কাঁপছে ইরানের বৈচিত্র্যময় ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্রের মুহুর্মুহু আঘাত।
সংঘাত শুরুর পর থেকেই ঘরের তৈরি শাহেদ ড্রোন দিয়ে তেল-আবিব ও মধ্যপ্রাচ্যকে কুপোকাত করছে ইরানের বিপ্লবী গার্ডস। একাধিক স্থাপনার পাশাপাশি বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর একটি স্যাটেলাইট স্টেশনেও আঘাত হানে ড্রোনটি।
এটি প্রতিরোধে উপসাগরীয় দেশগুলোর চোখ এখন ইউক্রেনের দিকে। কেননা চার বছরের ইউক্রেন যুদ্ধে অসংখ্যবার কিয়েভের আকাশসীমায় আঘাত হানে শাহেদ ড্রোন। এ কারণে এটিকে রুখতে বেশকিছু ইন্টারসেপ্টর ড্রোন তৈরি করেছে ইউক্রেন।
এফপিভি মাল্টিকপ্টার, ফিক্সড-উইং এফপিভি ড্রোন, স্টিং, পি-১ সানসহ বেশকিছু ইন্টারসেপ্টর ড্রোন তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ইউক্রেন। যেখানে শাহেদ ড্রোন প্রতিহতে ব্যবহৃত একেকটি প্যাট্রিয়ট প্যাক থ্রির দাম কয়েক লাখ ডলার, সেখানে এগুলো তুলনামূলভাবে দামে সাশ্রয়ী ও অনেক বেশি কার্যকরী। সরকারের অনুমতি মিললে এগুলো রপ্তানি করতে প্রস্তুত নির্মাতারা।
নির্মাতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমরা সরকারের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় রয়েছি। অনুমতি পেলেই অতিরিক্ত উৎপাদন শুরু করব। আমাদের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে।’
একটি শাহেদ ড্রোন নির্মাণে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ মার্কিন ডলার খরচ হয়। ইউক্রেনের বাইরে, রাশিয়াও ড্রোনটি নিয়মিত নির্মাণ ও ব্যবহার করে।




