পাল্টাপাল্টি হামলা আর কথার লড়াইয়ে দ্বিতীয় সপ্তাহ পার করছে ইরান যুদ্ধ। শুক্রবার ইরানের অন্তত ১৫০টি স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে আইডিএফ।
জুমার নামাজের পর আল কুদস দিবসের সমাবেশেও বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে। মিছিলে উপস্থিত হন প্রেসিডেন্ট মাদুস পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি লারিজানি।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ও লারিজানির বিষয়ে তথ্য দিলে ১০ মিলিয়ন পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ওয়াশিংটন জানায়, হামলায় আহত হয়ে কোনোভাবে বেঁচে আছে নতুন সুপ্রিম লিডার। এছাড়া রাতে ইরানের সর্বোচ্চ সংখ্যক হামলার হুঁশিয়ারি পিট হেগসেথের।
আরও পড়ুন:
তবে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ইরানও। নতুন করে ইসরাইলে হিজবুল্লাহর সঙ্গে মিলে যৌথ হামলা পরিচালনা করেছে আইআরজিসি। এতে বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাশাপাশি বাহরাইন, ওমান, কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন লক্ষ্যবস্তু ও জ্বালানি অবকাঠামোতে জোরদার হামলা চালাচ্ছে তেহরান। ইরান থেকে আসা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত প্রতিহতের দাবি করছে দেশগুলো।
দক্ষিণ লেবাননেও অভিযানের তীব্রতা বাড়িয়েছে আইডিএফ। বাড়ছে হতাহত। দুই সপ্তাহে সীমান্ত এলাকা ছেড়েছেন প্রায় আট লাখ বাসিন্দা। এ অবস্থায় বৈরুত সফর করছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
সংঘাতের মাঝেই বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে ভূপাতিত হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেসি-১৩৫ রি-ফুয়েলিং বিমান। ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীর জোট দ্য ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক এর দায় স্বীকারের পর শুক্রবার বিমানের থাকা ছয় ক্রুর সবাই মারা গেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন ।




