সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কুয়েতের একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, কাতারের একটি প্রাথমিক সতর্কতাসূচক স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা স্থাপনা এবং বাহরাইনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর জ্বালানি ট্যাংক। ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এসব হামলায় ‘বিভিন্ন ধরনের বিপুল সংখ্যক ড্রোন’ ব্যবহার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বাহিনীটি আরও জানিয়েছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘যুক্তরাষ্ট্রের নির্বোধ প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা কোনোভাবেই বাস্তবায়িত হতে দেবে না এবং চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত ইসলামি বিপ্লবের মহান আদর্শ রক্ষা করে যাবে।’





