যুদ্ধের কারণে এর আগে ৪ মার্চের নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করা হয়েছিল। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে ইরান সরকার। তেহরানের ডেপুটি মেয়র মোহাম্মদ আমিন তাওয়াকোলিজাদে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘তিন দিনের জনজানাজা ও শোক পালনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।’
কবে নাগাদ এই অনুষ্ঠান হবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তারিখ না জানালেও তাওয়াকোলিজাদে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের শুরুতে এটি হতে পারে। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, এটি জুনের মাঝামাঝি সময়ে পড়বে।
জানাজার মূল অনুষ্ঠানগুলো তেহরান ছাড়াও পবিত্র শহর কোম এবং মাশহাদে অনুষ্ঠিত হবে। খামেনিকে তার জন্মস্থান মাশহাদেই সমাহিত করা হবে। ডেপুটি মেয়র আরও জানান, ‘তেহরানে অনুষ্ঠানটি অন্তত ২৪ ঘণ্টা স্থায়ী হবে এবং এতে প্রায় ২ কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন বলে আমরা ধারণা করছি।’





