পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে গত ৮ এপ্রিল একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর ১১ ও ১২ এপ্রিল দেশটিতে ১৯৭৯ সালের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বর্তমানে দুই দেশ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো জটিল ইস্যুগুলো নিয়ে প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব বিনিময় করছে। আসিম মুনিরের এই সফর সেই আলোচনারই একটি ধারাবাহিক অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও শুক্রবার জানিয়েছেন যে, চলমান আলোচনায় ‘সামান্য অগ্রগতি’ হয়েছে। এর আগে সোমবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতাদের অনুরোধে এবং গঠনমূলক আলোচনা চলায় তারা ইরানে নতুন করে হামলা চালানো স্থগিত রেখেছেন।
পাকিস্তান বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্থাপনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে, যাতে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের ওপর থেকে এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব দূর করা যায়।





