ওয়াং ই বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ বেইজিংকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি এখন অত্যন্ত জরুরি। নতুন করে লড়াই শুরু হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই সময়ে সংলাপ ও আলোচনার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’
আরও পড়ুন:
ইরান তার তেল রপ্তানির জন্য মূলত চীনের ওপর নির্ভরশীল। যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরানি তেলের ৮০ শতাংশই কিনত বেইজিং। বৈঠকে আরাঘচি দুই দেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে।
তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে তেহরান নিজেদের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি মেনে নেবে না।’ আরাঘচি বলেন, ‘আলোচনায় আমাদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমরা কেবল একটি ন্যায্য ও পূর্ণাঙ্গ চুক্তিই গ্রহণ করবো।’





