দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি বর্তমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ইস্যু তাদের আলোচনায় স্থান পাবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা রক্তক্ষয়ী মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বন্ধে যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার আলোচনা স্থবির হয়ে আছে, ঠিক তখনই আরাঘচির এই বেইজিং সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত নিরসনে একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে দুই দেশ বর্তমানে এক অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে।
অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘হস্তক্ষেপ না করার’ দীর্ঘদিনের নীতি এবং ইরান যুদ্ধের সব পক্ষের সঙ্গেই কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে বেইজিং নিজেকে এই সংকটে এক ধরনের ‘বিচক্ষণ মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। আরাঘচির এই সফরকে সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টারই অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।





