নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘তেহরান বিশ্বাস করে পরমাণু আলোচনাকে পরবর্তী ধাপের জন্য তুলে রাখা একটি বড় ধরনের কৌশলগত পরিবর্তন, যা দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।’
তিনি বলেন, ‘এই কাঠামোর আওতায় জটিল পারমাণবিক ইস্যুটিকে আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে রাখা হয়েছে, যাতে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা যায়।’
আনুষ্ঠানিক এই প্রস্তাবটি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র আর কখনো হামলা করবে না—এমন গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা পেলেই ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাবে। বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিশ্রুতি চান। ফলে তেহরানের এই ‘আগে জলপথ, পরে পরমাণু’ নীতি ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।





