এরপর সাংবাদিকেরা জানতে চান, এর অর্থ কি যুক্তরাষ্ট্র আবারও বোমা হামলা শুরু করবে। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, হেলিকপ্টারের ঘটনার ভিত্তিতে আমার মনে হয়, আমাদের তা করার অধিকার আছে।’ ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ইরান ভূপাতিত করেছে।
একই ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান থেকে বিপুল পরিমাণ তেল সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা লাখ লাখ ব্যারেল তেল সরিয়ে নিয়েছি। প্রতি রাতেই সেই তেল নিয়েছি।’ তার দাবি, এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে রয়েছে। অন্যথায় তা ২৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারতো।
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ে রাজনৈতিক চাপের মুখে থাকা ট্রাম্প আরও বলেন, ‘যুদ্ধ শেষ হলেই জ্বালানির দাম কমতে শুরু করবে।’ ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বললেও দেশটির নেতাদের একটি চুক্তিতে সই করার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘তাদের চুক্তিতে সই করা উচিত। এটি একটি ভালো চুক্তি।’
ট্রাম্পের ভাষ্য, আলোচনায় থাকা প্রস্তাবটি ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি চুক্তি চাই যা অর্থবহ, আমরা এমন একটি চুক্তি চাই যা কার্যকর হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল আমরা তাদের কঠোরভাবে আঘাত করেছি এবং আজও আবার কঠোরভাবে আঘাত করবো। এরপর চুক্তির বিষয়ে কী হয়, তা দেখা যাবে। আমরা চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিলাম, কিন্তু তারা বারবার সময়ক্ষেপণ করছে।’





