সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ইরানি দূতাবাসের শেয়ার করা একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিওতে দেখা যায়, ওই বৈঠকে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও আইএসআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিকও উপস্থিত ছিলেন। ইরানের পক্ষে আরাঘচির সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ও রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদাম।
পাকিস্তানি সূত্রগুলো তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু-কে জানিয়েছে, দুই পক্ষ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। শুক্রবার রাতে আরাঘচির পাকিস্তানে পৌঁছানোকে দ্বিতীয় দফার এই আলোচনার পথ প্রশস্ত করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন পাকিস্তানি কর্মকর্তারা।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর প্রথম দফার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল ইসলামাবাদে। তবে সেই বৈঠক কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে দেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি আজ প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গেও পৃথক বৈঠকে বসবেন বলে জানা গেছে। এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার আজই পাকিস্তানে পৌঁছাবেন।
তবে তেহরান এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠকে বসতে রাজি হয়নি। ইরান জানিয়েছে, তাদের পর্যবেক্ষণ বা প্রস্তাবগুলো তারা মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের মাধ্যমেই ওয়াশিংটনকে জানাবে। এই ‘শাটল ডিপ্লোম্যাসি’ বা পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে কোনো টেকসই সমাধান আসে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।





