আল-জাজিরা সঙ্গে দেয়া এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি বলেন, ‘ এখনো পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং অস্পষ্ট। তবে গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যা বলা ও করা হয়েছে, তা মোটেও আশ্চর্যজনক নয়। তবে ওয়াশিংটনের বার্তাগুলো ছিল বেশ বিভ্রান্তিকর।’
অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরির মতে, ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখা যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভুল পদক্ষেপ হতে পারে। তিনি বলেন, ‘ইরান এই অবরোধকে যেকোনো পূর্বনির্ধারিত সমঝোতার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে। আর এর প্রতিক্রিয়া হিসেবেই তারা এই কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ আগের কঠোর অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার কথা বলছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে শান্তি আলোচনার কথা খুব ইতিবাচকভাবে প্রচার করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির কারণে তা যেকোনো সময় ভেস্তে যেতে পারে।’
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তার অবস্থান থেকে সরে না আসে এবং তেহরানকে চাপের মুখে রাখার কৌশল বজায় রাখে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এতে শুধু আলোচনার পথই রুদ্ধ হবে না, বরং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে।





