প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের কোনো সংঘাত এড়াতে ট্রাম্প ছোটখাটো উত্তেজনা বা হামলা হয়তো আরও কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত সহ্য করতে রাজি আছেন। মূলত আলোচনার মাধ্যমে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানোর সুযোগ নিতেই তার এই নমনীয় অবস্থান।
এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইরান এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা এবং কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যাতে একজন নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার ও জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। ইরান এই পথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সীমিত করে রেখেছে, অন্যদিকে ওয়াশিংটনও ইরানি বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই পাল্টাপাল্টি হামলাকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে প্রত্যাবর্তন হিসেবে না দেখে ‘প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বুধবার হাউসের এক শুনানিতে তিনি বলেন, ‘ইরানের কার্যক্রমের জবাবেই এসব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তারা যদি জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি না চালায়, আমরাও চালাব না। তবে আমাদের অবশ্যই জবাব দিতে হবে।’
তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঘনঘন হামলার ঘটনা ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে এই যুদ্ধবিরতি কতটুকু কার্যকর থাকবে তা নিয়ে সংশয় তৈরি করছে। ট্রাম্প অবশ্য বারবার দাবি করেছেন যে, তিনি ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছেন। এই চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংস করার লক্ষ্য রয়েছে ওয়াশিংটনের।




