আগামী মঙ্গলবার পররাষ্ট্র দপ্তরে হতে যাওয়া বৈঠকের আয়োজন চূড়ান্ত করতে শুক্রবার গভীর রাতে ইসরাইলি ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতেরা আলোচনা করেন।
ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লেইটার বলেন, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও এই আলোচনা লেবানন সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনার সূচনা হবে।
তিনি বলেন, ‘ইসরাইল লেবানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে।’ তবে হিজবুল্লাহকে যুক্ত করে কোনো আলোচনা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ইসরাইল হিজবুল্লাহ সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সংগঠনটি এখনো ইসরাইলের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দুই দেশের মধ্যে শান্তির প্রধান বাধা।’
লেবাননজুড়ে ইসরাইলি হামলা তীব্র হওয়ার মধ্যেই এ কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, শনিবার নাবাতিয়েহ জেলার মাইফাদৌনে একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়ে গেলে বিমান হামলায় তিনজন নিহত হন।
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আলোচনার আগে ওয়াশিংটন ও বৈরুত ইসরাইলকে হামলা বন্ধ রাখতে বলেছে। রয়টার্স অ্যাক্সিওসের বরাতে জানিয়েছে, লেবানের সরকার এবং ট্রাম্প প্রশাসন উভয়ই সাময়িকভাবে সামরিক অভিযান বন্ধের অনুরোধ করেছে। তবে হোয়াইট হাউস প্রকাশ্যে এ খবর নিশ্চিত করেনি।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুকে অব্যাহত বোমাবর্ষণ কমাতে বলেছেন।’ তার সতর্কবার্তা, হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নাজুক যুদ্ধবিরতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।





