ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, বাসিজ ইউনিটের নেতৃত্বে থাকা সোলেইমানি ‘মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুর হামলায়’ নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে তারা এখনো বিস্তারিত জানায়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাতের প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করার পর থেকে যুদ্ধে নিহত হওয়া কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ইরানি কর্মকর্তার মধ্যে একজন তিনি।
এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ) ইসরাইলি সামরিক বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেছিল, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে লক্ষ্যভিত্তিক হামলায় সোলেইমানি নিহত হয়েছেন।
গতকাল (মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ) পৃথক এক ইসরাইলি হামলায় ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানিও নিহত হয়েছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের নথি অনুযায়ী, সোলেইমানির জন্মসাল ১৯৬৫। বাসিজের মাধ্যমে ভিন্নমত দমনে কথিত ভূমিকার কারণে তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আরও কয়েকটি দেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
আইআরজিসির অধীন স্বেচ্ছাসেবী আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর গঠিত হয়। দেশজুড়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিয়ে বাহিনীটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
শহরজুড়ে তাদের স্থানীয় শাখা রয়েছে এবং বিক্ষোভের সময় প্রায়ই তাদের সামনের সারিতে মোতায়েন করা হয়।
এর মধ্যে রয়েছে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, যেখানে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এছাড়া ২০০৯ সালে বিরোধীদের ভাষায় ‘চুরি হওয়া’ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিরুদ্ধে হওয়া গণবিক্ষোভেও বাসিজ মোতায়েন করা হয়েছিল।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বাসিজ এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর হামলার ঘনঘন লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।





