প্রতিবেদন অনুযায়ী, আহতদের অনেকেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের মাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সীমিত।
এদিকে ইসরাইলের সেনাবাহিনী ইরানের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। একাধিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত যে কাউকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
আরও পড়ুন:
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি নিয়োগের চেষ্টা করবেন—এমন ব্যক্তিদের সক্রিয়ভাবে অনুসরণ করা হবে এবং ভবিষ্যৎ উত্তরসূরিদের ওপরও নজর রাখা হবে। এতে ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইসরাইলের এ ধরনের বক্তব্য উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং এতে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। প্রচলিত সামরিক লক্ষ্যবস্তুর বাইরে রাজনৈতিক ও কৌশলগত ব্যক্তিদের দিকে নজর দেয়ার বিষয়টি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।





