আত্মরক্ষার কৌশল ও প্রতিপক্ষকে সামরিক শক্তি জানান দিতে ১৯৬৪ সালে পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার নির্মাণ করে চীন। তবে বাণিজ্যসহ প্রযুক্তির অন্যান্য খাতে প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রকে সমান তালে টক্কর দিলেও, পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচিতে ওয়াশিংটনের থেকে এখনও অনেকটা পিছিয়ে বেইজিং।
সম্প্রতি চীন একদম নতুন প্রজন্মের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে বলে দাবি করেছে একাধিক মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। সিএনএনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। এছাড়া, পশ্চিমা গোয়েন্দাদের দাবি, ২০২০ সালে চীনের ভেতরে গোপনে অন্তত ১টি পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সামনের দিনে চীন এ ধরনের পরীক্ষা আরও চালাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসনকে সতর্ক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা। শুধু পরমাণু নয়, বেইজিংয়ের কাছে আরও অনেক আধুনিক অস্ত্র মজুত রয়েছে বলেও দাবি তার।
এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে সিএনএনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের এক কর্মকর্তা জানান, নিজেদের পরমাণু আধিপত্য আড়াল করতে রাজনৈতিক কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে ওয়াশিংটন। এছাড়া, বেইজিং নিজেদের পরমাণু পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অজুহাত মানবে না বলেও সাফ জানান তিনি।





