সিক্রেট সার্ভিসের কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি জানান, গুলিতে নিহত হওয়া ওই ব্যক্তির বয়স ২০ এর বেশি। তার সঙ্গে একটি শটগান ও ডিজেল ক্যান ছিল। স্থানীয় সময় রোববার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলেও জানান তিনি।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করছিলেন। এছাড়া সিক্রেট সার্ভিসের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকা অন্য কোনো ব্যক্তিও সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি বলেন, ‘সশস্ত্র ওই ব্যক্তি মার-এ-লাগো’র উত্তর দিকের গেটে পৌঁছালে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট এবং পাম বিচ কাউন্টি শেরিফ অফিসের একজন ডেপুটি তাকে বাধা দেন। সেখানে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের গুলিতে ওই ব্যক্তি নিহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, গুগলিয়েলমি জানিয়েছেন যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি নর্থ ক্যারোলিনার বাসিন্দা। কয়েকদিন আগে তার পরিবার তাকে নিখোঁজ বলে রিপোর্ট করেছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, তিনি নর্থ ক্যারোলিনা থেকে দক্ষিণ দিকে আসার পথে কোথাও থেকে একটি শটগান সংগ্রহ করেছিলেন।
বর্তমানে এফবিআই, ইউএস সিক্রেট সার্ভিস এবং পাম বিচ কাউন্টি শেরিফ অফিস যৌথভাবে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা ওই ব্যক্তির অতীত ইতিহাস, কার্যকলাপ এবং সম্ভাব্য উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকবার হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসের শুরুতে ৫৯ বছর বয়সী রায়ান রুথকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্লোরিডার একটি গলফ কোর্সে ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।
অন্যদিকে রুথের পরিকল্পনার দুই মাস আগে, ২০ বছর বয়সী ম্যাথিউ ক্রুকস পেনসিলভানিয়ার বাটলার-এ এক নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিলেন। সেই হামলায় একটি গুলি ট্রাম্পের কান স্পর্শ করে চলে যায় এবং সমাবেশে উপস্থিত একজন নিহত হন।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বাটলারের সেই আক্রমণ ট্রাম্পের রাজনৈতিক পুনরুত্থানের ক্ষেত্রে একটি মোড় ঘুরিয়ে দেয়া ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।





