Recent event

সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা

বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক | ছবি: সংগৃহীত
0

সম্প্রতি বিশ্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়-একটি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানের পরমাণু ইস্যু। দুটি বিষয় মীমাংসায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেয়া উদ্যোগ পররাষ্ট্র নীতি জগতের অনেককেই মাথা চুলকাতে বাধ্য করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় জেনেভায় একইদিনে ইরানের পারমাণবিক অচলাবস্থা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে বৈঠক হয়। এর মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলা দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চলছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা। এরমধ্যেই ইরানের আশেপাশে বিপুল সেনা ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে, তৈরি হয়েছে সংঘাতের আশঙ্কা। যদিও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় সরাসরি অংশ না নিলেও পরোক্ষভাবে যুক্ত আছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান খুব কঠিন আলোচক। গত বছর যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে তাদের পরমাণু কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার আগেই একটি চুক্তি হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই সেই হামলা করতে হয়েছিল। আশা করছি ইরান আগের চেয়ে বেশি নমনীয় হবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ চুক্তিতে আসবে।’

একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া এবং ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের মধ্যে তৃতীয় পর্যায়ের বৈঠক হয়। মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডে ইউক্রেন যুদ্ধের চার বছর পূর্ণ হওয়ার কয়েক দিন আগে এই আলোচনা শুরু হয়। আলোচনা শুরুর আগে, ইউক্রেনের বিভিন্ন জায়গায় রাতভর ব্যাপক বিমান হামলা চালায় রাশিয়া।

আরও পড়ুন:

গেল বছর গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ। যদিও এখন সেখানে পরিস্থিতি আবারও থমকে গেছে। তবে ইরান এবং রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় এখন পর্যন্ত বড় কোনো সাফল্য দেখাতে পারেননি তিনি।

অন্যদিকে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার আব্রাহাম অ্যাকর্ডস নামের একটি চুক্তি করেছিলেন, যার মাধ্যমে কয়েকটি আরব দেশের সাথে ইসরায়েলের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু গত ১৩ মাসে এই চুক্তিতে নতুন কোনো অগ্রগতি হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনেক অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে বাদ দেয়ায় কুশনার এবং উইটকফের জন্য বর্তমানের সমস্যাগুলো সমাধান করা আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে।

এদিকে, ট্রাম্পের দাবি তিনি তার নতুন মেয়াদের প্রথম বছরেই অনেকগুলো যুদ্ধ ও বিবাদ মিটিয়ে ফেলেছেন। আগামী দিনে আরও কিছু আন্তর্জাতিক চুক্তি করতে চান বলেও জানান তিনি।

এফএস