তাদের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, এ লোকগুলোর চলে যাওয়াই উচিত। আমি সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখছিলাম ওদের দেশ থেকে বলা হচ্ছিল যে যারা বাংলাদেশি নাগরিক আছে তাদের ফিরিয়ে নেবেন। তাই এদের ফিরিয়ে নেয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পুলিশকে বলে দিয়েছি, এ মানুষগুলোকে কারাগারে পাঠানোর কোনো দরকার নেই। দেশের রুপিতে খাবার খাবে, কাপড় দেবো, ওষুধ দেবো, এরা কি আমাদের জামাই হয়? জলদি জলদি ভাগো, নেহি তো জো করনা হ্যায়, সরকার করেগা (তাড়াতাড়ি চলে যান। না হলে, সরকার যেটা করার করবে)।’
গত ৯ মে বিজেপি সরকার শপথ নেয়ার পর থেকেই তৃণমূল শিবিরে ভাঙন দেখা দেয়। হালিশহর, ভাটপাড়া, গারুলিয়া, উত্তর ব্যারাকপুর, কাঁচরাপাড়া, নৈহাটি, কাঁথি ও ডায়মন্ড হারবার পৌরসভায় একের পর এক কাউন্সিলর, পৌরপ্রধান ও উপ-পৌরপ্রধান পদত্যাগ করেছেন।
পদত্যাগী নেতাদের কেউ কেউ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উন্নয়ন উদ্যোগের প্রশংসাও করেছেন। তাদের অভিযোগ, এতদিন দলীয় চাপে মুখ খুলতে পারেননি তারা।
শুভেন্দু বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার বলে দিয়েছি বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আদালতে পাঠানোর কোনো দরকার নেই। সরাসরি পুলিশ নেবে এবং বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করবে। বিএসএফের সঙ্গে বাংলাদেশের যে চুক্তি রয়েছে... বাংলাদেশি প্রমাণিত করে তাদের হস্তান্তর করে দেবে। আমাদের দেশের কারাগারে তিন মাস, ছয় মাস, দুই বছর রেখে আপনার চাল, ডাল, তেল, মাছ, ডিম ওদেরকে দেবো কেন? এতে তো ভারতীয়দেরই ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের রাজ্যের ক্ষতি হচ্ছে।’
শুভেন্দু সাফ বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই ভারতে বৈদেশিক আইন (ফরেনারস অ্যাক্ট) রয়েছে। এটা নতুন কোনো আইন নয়।’





