এ ঘটনার পর থেকে তার স্বামী মো. জসীম কাজী পলাতক রয়েছেন।
নিহতের পরিবারের দাবি, সুমাইয়াকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শৈলমারী গ্রামের মো. মোস্তফা শেখের মেয়ে সুমাইয়া শিমুর সঙ্গে ২০১৮ সালে প্রেমের সম্পর্কের পর কাঠমিস্ত্রি জসীম কাজীর বিয়ে হয়। তাদের শামিউল বারী (৬) নামে এক ছেলে রয়েছে।
আরও পড়ুন:
পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো। শুক্রবার দুপুরেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে সুমাইয়া ছেলেকে পাশের পাকুড়িয়া গ্রামে মেজ বোনের বাড়িতে রেখে নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা ঘরের আড়ার সঙ্গে শাড়ির ছেঁড়া পাড় দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।
নিহতের ছোট বোন মিম খাতুনের অভিযোগ, মরদেহের পা মেঝেতে স্পর্শ করছিল। তাই তাদের সন্দেহ, সুমাইয়াকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল আমিন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এটিকে হত্যা দাবি করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকায় জসীম কাজী ও তার পরিবারের সদস্যদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



