
বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে প্রবীণ বিধায়ককে মেনে নিয়েছে তৃণমূল
আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার না করলেও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বেছে নিলো তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল (শনিবার, ৯ মে) রাতে তৃণমূল বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল; মমতার বিদায়
পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। এর ফলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদে নেই। ভারতীয় ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ক্ষমতার সিঁড়ি যখন বিজেপি: যেভাবে ‘দিদি’ মমতাসহ ৬ মুখ্যমন্ত্রীর পতন
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় তার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে এটি এক ঐতিহাসিক পরিহাস। কারণ ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর বিজেপির হাত ধরেই প্রথম নির্বাচনি বৈতরণি পার হয়েছিলেন মমতা। তবে মমতা একা নন, ভারতের অন্তত ছয়জন প্রভাবশালী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সঙ্গে জোট করে ক্ষমতায় আরোহণ করলেও, শেষ পর্যন্ত সেই বিজেপির হাতেই ক্ষমতা হারিয়েছেন।

পদত্যাগ করবো না, আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে পরাজয়ের পর পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, জনগণের রায়ে নয় বরং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, ‘পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।’ টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নিজের ‘পাতা ফাঁদেই’ হারলেন মমতা!
পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটিয়ে বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে দলটি। অন্যদিকে, গত নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়ী হওয়া তৃণমূল এবার মাত্র ৮১টি আসনে থিতু হয়েছে। ৪ মে ফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা হলো। এনডিটিভির মতামত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তৃণমূলের হারে উল্লাসের কিছু নেই; সহকর্মীদের সতর্ক করলেন রাহুল গান্ধী
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ে নিজ দলের নেতা ও বিরোধী শিবিরের একাংশকে উল্লাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচনের এই ফলাফলকে ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। দ্য টাইমস ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যে পাঁচ কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা ব্যানার্জী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেননি—কিন্তু রাজ্যে যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি গরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসতে চলেছে সেই ইঙ্গিত একেবারে স্পষ্ট। বিবিসির বিশ্লেষণে মমতার হারের পেছনে পাঁচটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজ্যজুড়ে গেরুয়া ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ঘাসফুল শিবির
১৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় ফের পালাবদল। দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

শিবপুরে বিধানসভা আসনে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে শিবপুর আসন থেকে লড়েছেন বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। তার বিরুদ্ধে তৃণমূলের রানা চট্টোপাধ্যায়, কংগ্রেসের শ্রাবন্তী সিং প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনায় প্রথম ১০ রাউন্ড শেষে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।

বুথফেরত সমীক্ষা: পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ইঙ্গিত, না কি প্রত্যাবর্তন?
পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ। পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪ আসনে ভোট হয়েছে মোট দুই দফায়। রাজ্যটির প্রথম দফায় ভোট হয় গত ২৩ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায় ভোট নেয়া হয় ২৯ এপ্রিল। আসামে ১২৬টি আসনে, কেরালায় ১৪০ আসনে এবং পুদুচেরিতে ৩০ আসনে একটি মাত্র দফায় গত ৯ এপ্রিল ভোট নেয়া হয়। তামিলনাড়ুতে ২৩৪ আসনে একটিমাত্র দফায় ভোট নেয়া হয় ২৩ এপ্রিল।

বিধানসভা নির্বাচন: ভবানীপুর আসনে জিতবে কে?
‘দিদি আছেন, দিদিই জিতবেন।’ কিন্তু পরিবর্তনের যে হাওয়া উঠেছে? উত্তর আসলো, ‘বলছে তো অনেক কিছুই, কিন্তু হবে কি না বলা মুশকিল। পরিবর্তন হলেও কতটা ভালো হবে তাও বলা যাচ্ছে না।’ দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরের মিত্র ইন্সটিটিউশনের ঠিক উল্টোদিকেই চা’এর দোকানে বসে এই কথাগুলো বলছিলেন ভাস্কর দত্ত। আসন্ন নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে কি হতে চলেছে তা নিয়েই নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন ৫৭ বছর বয়সী ভাস্কর।

বিধানসভা নির্বাচন: শেষ দফা ভোটের আগে প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা
প্রথম দফার নির্বাচন শেষ। আগামী ২৯ এপ্রিল শেষ দফায় ১৪২ আসনে ভোট নেওয়া হবে। এই দফার নির্বাচনি প্রচারণার শেষ দিন ২৭ এপ্রিল। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান বিরোধী দল বিজেপি কংগ্রেস সিপিআইএম আমজনতা উন্নয়ন পার্টি, ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) মত দলগুলো নির্বাচনি প্রচারণায় ঝড় তুলেছে।