
তৃণমূলে ভাঙনের গুঞ্জন; বাড়ছে রাজনৈতিক জল্পনা
তৃণমূলের অন্দরে হঠাৎ এমন কী বিস্ফোরণ ঘটলে যে, বিধায়কদের ছাপিয়ে এবার সাংসদরাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর আস্থা রাখছেন না। সূত্রের খবর বলছে, তৃণমূলে অনেক সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে ওঠে পরে লেগেছেন। দলের মধ্যে ভাঙনে কে বা কারা দায়ী; কোন কোন ইস্যুতে দুই টুকরো হলো তৃণমূল কংগ্রেস?

‘জোড়া ফুল’ আর এক নেই; ২০ সাংসদের বিজেপিতে যাওয়ার খবরে নতুন তোলপাড়
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ১৫ বছরের শাসন হারানোর পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস। ১৮তম বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে বসাতেও ব্যর্থ হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। উল্টো দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই এখন বিধানসভার বিরোধী দলনেতার আসনে বসেছেন।

ভেঙে যেতে পারে তৃণমূল, মমতার হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় ‘জোড়া ফুল’ প্রতীক
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বড় ধরনের ভাঙনের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলটির ওপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণ আলগা হওয়ার উপক্রম হয়েছে এবং এমনকি দলীয় প্রতীক ‘জোড়া ফুল’ হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের অন্তত ৫০ জন বিধায়ক দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে আলাদা একটি গ্রুপ গঠনের পরিকল্পনা করছেন বলে চাঞ্চল্যকর দাবি উঠেছে। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক ব্যানার্জীর ওপর হামলার অভিযোগ
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক ব্যানার্জী বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাকে ঘিরে দফায় দফায় বিক্ষোভ হয়, সেই সঙ্গে দেয়া হয় চোর স্লোগান। ছুড়ে মারা হয় ডিম ও পায়ের চটি। ছিঁড়ে ফেলা হয় তার পরনের জামাও।

এরা কি আমাদের জামাই হয়? জলদি জলদি ভাগো: শুভেন্দু
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের বিভিন্ন পৌরসভায় শুরু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরদের পদত্যাগের হিড়িক। ইতোমধ্যেই সাতটি পৌরসভায় শতাধিক কাউন্সিলর পদত্যাগ করেছেন। এতে একদিকে প্রশাসনিক সংকট তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে নাগরিক সেবা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়া পর বাংলাদেশের জামাতিদের চিড়বিড়ানি অনেক বেড়েছে: শুভেন্দু
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিআইএমের মতো দলগুলো যতটা না লাফালাফি করছে, তার থেকে বেশি লাফালাফি করছে বাংলাদেশের জামাতিরা। আজ (সোমবার, ১৮ মে) সন্ধ্যায় ভবানীপুর আসানের অন্তর্গত ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু এসব বলেন।

পশ্চিমবঙ্গে ‘বুলডোজার রাজনীতি’ চলবে না: মমতা
পশ্চিমবঙ্গে সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের ‘অবৈধ দখলদারিত্ব বিরোধী’ উচ্ছেদ অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ অভিযানকে ‘বুলডোজার রাজনীতি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, ভয় দেখিয়ে বা জোর খাটিয়ে রবীন্দ্রনাথ-নেতাজির এই ভূমি শাসন করা যাবে না। খবর দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার।

বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে প্রবীণ বিধায়ককে মেনে নিয়েছে তৃণমূল
আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার না করলেও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বেছে নিলো তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল (শনিবার, ৯ মে) রাতে তৃণমূল বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল; মমতার বিদায়
পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। এর ফলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদে নেই। ভারতীয় ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ক্ষমতার সিঁড়ি যখন বিজেপি: যেভাবে ‘দিদি’ মমতাসহ ৬ মুখ্যমন্ত্রীর পতন
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় তার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে এটি এক ঐতিহাসিক পরিহাস। কারণ ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর বিজেপির হাত ধরেই প্রথম নির্বাচনি বৈতরণি পার হয়েছিলেন মমতা। তবে মমতা একা নন, ভারতের অন্তত ছয়জন প্রভাবশালী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সঙ্গে জোট করে ক্ষমতায় আরোহণ করলেও, শেষ পর্যন্ত সেই বিজেপির হাতেই ক্ষমতা হারিয়েছেন।

পদত্যাগ করবো না, আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে পরাজয়ের পর পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, জনগণের রায়ে নয় বরং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, ‘পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।’ টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নিজের ‘পাতা ফাঁদেই’ হারলেন মমতা!
পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটিয়ে বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে দলটি। অন্যদিকে, গত নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়ী হওয়া তৃণমূল এবার মাত্র ৮১টি আসনে থিতু হয়েছে। ৪ মে ফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা হলো। এনডিটিভির মতামত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।