যুগ্মসচিব জানান, দেশে বর্তমানে ডেঙ্গু, হামসহ অন্যান্য সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের পর্যাপ্ত সক্ষমতা ও প্রস্তুতি রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে যাতে সেবার মান অক্ষুণ্ণ থাকে।’
টিকাদান কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শারীরিক কিছু জটিলতার কারণে সাময়িকভাবে খুব সামান্য সংখ্যক শিশুকে টিকা না দিয়ে ফেরত পাঠাতে হচ্ছে। এটি একটি সাময়িক পদক্ষেপ এবং শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এমনটি করা হচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিত্র তুলে ধরে যুগ্মসচিব জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ১০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছে। ভর্তি হওয়া সব শিশু এখন শঙ্কামুক্ত। হাসপাতালের সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে রোগীদের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই।
পরিদর্শনকালে যুগ্মসচিব হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তিনি হাসপাতালের সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সেবার মান আরও বাড়াতে স্থানীয় চিকিৎসকদের বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলমসহ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





