জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১৫ হাজার ৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪ হাজার ৯৪৯ জন উপস্থিত ছিল এবং অনুপস্থিত ছিল ১১৮ জন। দাখিল পরীক্ষায় ৩ হাজার ১২৬ জনের মধ্যে ৩ হাজার ৭৫ জন অংশগ্রহণ করে, অনুপস্থিত ছিল ৫১ জন। এছাড়া এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ৯১৬ জনের মধ্যে ৮৯৭ জন উপস্থিত ছিল এবং ১৯ জন অনুপস্থিত ছিল।
পরীক্ষার প্রথম দিনে জেলার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল। সদর উপজেলার কাশিনাথ আলাউদ্দীন হাই স্কুল ও কলেজ, টাউন কামিল মাদ্রাসা এবং আলী আমজাদ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রসমূহ তিনি পরিদর্শন করেন।
আরও পড়ুন:
এসময় তার সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিব, হল সুপার, ট্যাগ অফিসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে কমলগঞ্জ উপজেলার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় এবং কমলগঞ্জ সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘প্রথম দিনের পরীক্ষা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়নি।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন “জিরো টলারেন্স” নীতি গ্রহণ করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং কেন্দ্রগুলো সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের আওতায় রাখা হয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এছাড়া পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন— প্রথম দিনের মতো বাকি পরীক্ষাগুলোও একইভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হবে। তিনি পরীক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও মানসিক স্থিরতা বজায় রেখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।





