একনজরে ফুয়েল পাশ আপডেট ২০২৬ (Fuel Pass Update Summary)
বিবরণ (Description) তথ্য (Information) কার্যকর হওয়ার তারিখ ১২ এপ্রিল, ২০২৬ মোট স্টেশনের সংখ্যা ০৭টি (ঢাকা) মূল প্রযুক্তি কিউআর কোড স্ক্যানিং উদ্যোক্তা সংস্থা বিপিসি ও জ্বালানি বিভাগ
আরও পড়ুন:
কেন এই ডিজিটাল উদ্যোগ? (Why This Digital Step?)
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) (Bangladesh Petroleum Corporation - BPC) জানিয়েছে, প্রচলিত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে তেল দেওয়ার ফলে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া একই ব্যক্তি বারবার তেল নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। এই অনিয়ম ও অপচয় রোধে ‘ফুয়েল পাশ’ সরাসরি বিআরটিএ-র (BRTA) কেন্দ্রীয় ডেটাবেজের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, যার ফলে প্রতিটি যানবাহনের তেলের হিসাব স্বচ্ছ থাকবে।
ঢাকার যেসব পাম্পে ‘ফুয়েল পাশ’ লাগবে (List of Filling Stations)
শুরুতে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি স্টেশনে কাজ শুরু হলেও এখন মোট সাতটি স্টেশনে এই সেবা কার্যকর করা হয়েছে:
১. তেজগাঁও: ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন (Trust Filling Station)।
২. আসাদগেট: সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন।
৩. মহাখালী: গুলশান সার্ভিস স্টেশন (Gulshan Service Station)।
৪. শাহবাগ: মেঘনা মডেল পাম্প।
৫. নিকুঞ্জ: নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার।
৬. কল্যাণপুর: খালেক সার্ভিস স্টেশন (Khalek Service Station)।
আরও পড়ুন:
স্মার্টফোন না থাকলে কী করবেন? (If You Don't Have a Smartphone)
যাদের স্মার্টফোন নেই, তারা বিকল্প উপায়ে এই সুবিধা নিতে পারবেন। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, গ্রাহকরা যেকোনো কম্পিউটারের দোকান বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন (Online Registration) করে কিউআর কোডটি ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। পাম্পে সেই প্রিন্ট করা কোডটি স্ক্যান করেই তেল সংগ্রহ করা যাবে।
কীভাবে কাজ করবে এই অ্যাপ? (How Fuel Pass Works?)
ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা গ্রাহকের কিউআর কোড স্ক্যান করার পর তার জন্য নির্ধারিত বরাদ্দের পরিমাণ দেখতে পাবেন। ডিজিটাল এন্ট্রি সম্পন্ন হওয়ার পরই জ্বালানি সরবরাহ করা হবে। এর ফলে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণ (Real-time Monitoring) করা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন:





