
জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক: কীভাবে নেবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে এবং সুবিধা কী?
স্মার্ট ও ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Bangla QR Code Bangladesh Bank Update: Benefits, Registration Process and Requirements)। আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে দেশের সব ধরনের ব্যবসায়িক লেনদেনে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক (Bangla QR code mandatory Bangladesh Bank)। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) এবং ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেমগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে বা ইন্টারঅপারেবল সিস্টেমে যুক্ত হওয়ার চূড়ান্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে (Digital payment interoperability deadline Bangladesh)।

কিউআর কোড থেকে সাবধান, স্ক্যান করতেই খালি হচ্ছে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট!
স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের এই যুগে আমাদের জীবনকে সবচেয়ে সহজ করেছে যে প্রযুক্তিটি, তা হলো কিউআর কোড। শপিং মলে বিল দেওয়া, রেস্তোরাঁর মেনু কার্ড দেখা, ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট কিংবা ঝটপট কোনো ওয়েবসাইটে সাইন-আপ করতে এখন আর টাইপ করার প্রয়োজন হয় না; শুধু ক্যামেরার এক ক্লিকেই কাজ শেষ (QR Code Scams and Cyber Security Risks)।

ঢাকার যে ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাশ’ বাধ্যতামূলক, কিউআর কোড ছাড়া মিলবে না জ্বালানি
রাজধানীর জ্বালানি তেল বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা আনতে বড় ধরনের ডিজিটাল পরিবর্তন এনেছে সরকার। আজ (রোববার, ১২ এপ্রিল) থেকে ঢাকার ৭টি সুনির্দিষ্ট ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য কিউআর কোডভিত্তিক (QR Code Based) মোবাইল অ্যাপ ‘ফুয়েল পাশ’ (Fuel Pass App) ব্যবহার করে তেল নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

জ্বালানি নিতে চালু হলো ‘ফুয়েল পাশ’ অ্যাপ, আবেদন করবেন যেভাবে
দেশের জ্বালানি খাতে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটাতে এবং তেল বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিউআর কোডভিত্তিক (QR Code Based) ‘ফুয়েল পাশ’ (Fuel Pass) অ্যাপের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখন থেকে চালকরা তাদের নির্ধারিত বরাদ্দের তথ্য অ্যাপের মাধ্যমে যাচাই করে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন পদ্ধতির কথা জানিয়েছে।

মাগুরায় বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন জাতের গাছের বাগান
মাগুরায় কালেক্টরেট ভবনের বিশাল ছাদজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন জাতের গাছের ছাদ বাগান। প্রায় ১২ হাজার বর্গফুটের বিশাল ছাদে দেশি-বিদেশি বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন প্রজাতিসহ লাগানো হয়েছে ৪২২টি প্রজাতির ৬৫০টি গাছ। এগুলো দেখতে ও বই পড়তে প্রতিদিন বাগানটিতে ভিড় করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী- অভিভাবক এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা মানুষ। শত শত গাছের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ এবং কৃষিতেও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন অনেকে।