আজ (বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল) বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) রাঙামাটির ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম এ তথ্য জানান।
মো. ফয়েজ আল করিম বলেন, ‘এবার মৌসুম জুড়েই হ্রদে পানির পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে ছিলো। এছাড়া বিএফডিসি মনিটরিং কার্যক্রম বাড়ানোয় মাছের উৎপাদন বেড়েছে।’
উল্লেখ্য, ৭২৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ কাপ্তাই হ্রদের মাছ আহরণের মৌসুম গেলো বছরের ১ আগস্ট শুরু হয়ে এ বছরের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলে। এসময়ে টানা ২৬৭ দিন মাছ শিকার করেন নিবন্ধিত ২৭ হাজার জেলে। এসব মাছ রাঙামাটি, কাপ্তাই, মারিশ্যা ও খাগড়াছড়ির মহালছড়ি— এ চার মৎস্য অবতরণ ঘাটে আকার ও প্রজাতিভেদে শুল্কায়ন শেষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা।
আরও প[ড়ুন:
আর এ চার কেন্দ্রে ৯ হাজার ৯৭১ মেট্রিক টন বিভিন্ন দেশিয় প্রজাতির মাছ থেকে শুল্কবাবদ ২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আদায় করেছে বিএফডিসি কর্তৃপক্ষ, যা মাছের পরিমাণ হিসেবে গেলো বছরের চেয়ে প্রায় এক হাজার মেট্রিক টন আর রাজস্ব আয়ের হিসেবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা বেশি।
গেলো ২০২৪–২৫ মৌসুমে ৮ হাজার ৯৯৭ মেট্রিক টন মাছের শুল্কায়নের বিপরীতে ১৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছিলো কর্তৃপক্ষ।
সাধারণত প্রজনন মৌসুমে ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। তবে এবার পানিস্বল্পতার কারণে ২৪ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাত থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়।





