আজ (শনিবার, ২৩ মে) সকালে ঢাকা মেডিকেলে ওই যুবকের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত সাগর ও সোহাগের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
খবর পেয়ে পলাশ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে আজ সন্ধ্যায় নিজ গ্রামে নিহতের মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয় বলে নিশ্চিত করে পরিবারের সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানায়, পার্শ্ববর্তী পারুলিয়া এলাকার ইউনুস আলীর ছেলে সাগর ও সোহাগের সঙ্গে আশিকের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
পরিস্থিতি মীমাংসার জন্য গতকাল (শুক্রবার, ২২ মে) বিকেলে পারুলিয়া ভূঁইয়া বাড়ির সামনে সালিশ বসার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে উভয় পক্ষের লোকজন সেখানে জড়ো হয়ে সালিশকারীদের অপেক্ষা করছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাগর ও সোহাগসহ ১০ থেকে ১৫ জন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে আশিকের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আশিককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।
তাকে রক্ষা করতে গেলে রুহুল আমিন ও ইলিয়াসও ছুরিকাঘাতে আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনজনকেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। পরে, শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশিক মারা যান।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সাগর ও সোহাগ পলাতক রয়েছেন। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারও বন্ধ পাওয়া গেছে। পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’





