পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কল্পনা আক্তার স্বীকার করেছেন। শিশুটির মা প্রিয়া খাতুনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে তিনি নুজাইফাকে বাড়ির পাশের একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে যান। সেখানে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন বিকেল ৪টার দিকে বাগানে শিশুটিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
ঘটনার সন্দেহজনক দিক দেখে এলাকাবাসী কল্পনা ও তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একপর্যায়ে কল্পনা তার অপরাধ স্বীকার করে। এমন খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তৌহিদুল হাসান তুহিন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল।
দৌলতপুর থানার (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, ‘পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে রেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





