র্যাবের ডিজি এ কে এম শহীদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘র্যাপিড অ্যাকশন ব্যটিলিয়ান এই ঘটনার সুস্থ বিচার না হওয়া পর্যন্ত এর পেছনে লেগে থাকবে।’
এসময় তিনি আরও বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখানে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছে, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আছে তাদের আমরা নির্মূল করবো। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের আস্তানা আমরা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবো।’
নিহতের স্ত্রী ও ছেলে জানিয়েছেন, তারা এ হত্যার সঠিক বিচার চান। র্যাব সদস্যকে এভাবে হত্যা করা তার প্রতি অবিচার। এ অবিচার চললে আর কেউ সৈনিকের চাকরি করবে না বলেও জানান তারা।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়রা জানান, সবাই আতঙ্কে আছেন। যেখানে দোকানপাট বন্ধ করা হতো রাত ১১টায়; সেখানে সবাই এখন সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে বন্ধ করে বাসায় চলে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ রাস্তাঘাটে বের হচ্ছে না।
এই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকবার ব্যর্থ হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলার শিকার হয়েছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, পুলিশ ও সাংবাদিক।
আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার রাসেল বলেন, ‘বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য যারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছেন সকলের সহযোগিতায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করার কথা রয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি) এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান পরিচালনা অব্যহত থাকবে।’
এর আগে, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হয় র্যাব ৭ এর উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। এসময় আরও তিন জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের দূর্গম সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রমখ্যাত জঙ্গল সলিমপুরে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গিয়ে সংঘবদ্ধ হামলায় এ কর্মকর্তা নিহত হন।





