সোলার প্যানেল সূর্যের আলো শোষণ করছে, তা থেকে উৎপাদন হচ্ছে বিদ্যুৎ, সেই বিদ্যুতে চলছে সেচপাম্প। ডিজেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার বিড়ম্বনা নেই, নেই বিদ্যুতের জন্য অপেক্ষা। এভাবে সোলার চালিত গভীর নলকূপ থেকে সেচ সুবিধা নিচ্ছেন নড়াইল সদরের তুলারামপুর এবং কালিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার চাষিরা। তিনটি নলকূপের আওতায় অন্তত আড়াইশো বিঘা জমিতে ধান, ভুট্টা, তিল ও সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করছেন চাষিরা। তেল ও বিদ্যুৎ না লাগায় অতিরিক্ত খরচের হাত থেকে বাঁচার কথা বলছেন চাষীরা।
নড়াইল নড়াইল সদর তুলারামপুর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুদীপ্ত বিশ্বাস বলেন, ‘কৃষকরা যেভাবে সাড়া পাচ্ছে। এভাবে যদি আরও বিভিন্ন জায়গায় স্থাপন করা যায় তাহলে কৃষকরা বেশি উপকৃত হতো।’
আরও পড়ুন:
শুধুমাত্র সূর্যের আলো থাকলে বিরামহীন ঘুরে চলে সেচযন্ত্র। প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টায়, ১২ লাখ লিটার পানি উত্তোলন করছে নলকূপ তিনটি। এতে একদিকে ডিজেল সাশ্রয় হচ্ছে ৩৬ লিটার, অন্যদিকে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে ১ শতাংশ ৩২ ইউনিট। নিরাপদ এ সেচ সুবিধা বাড়াতে পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগও।
নড়াইল নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘এভাবে যদি আমরা কৃষকদের কাছে এ ব্যবস্থাটি জনপ্রিয় করতে পারি তাহলে ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালো হবে।’
ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের অধীনে ৮ কিলোওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার তিনটি সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়। প্রতিটি প্যানেলে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট শক্তির সেচ পাম্পে সেকেন্ডে ১৭ লিটার পানি উত্তোলন করা হচ্ছে।





