টাঙ্গাইলে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে মাঠে নামলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

র্জ্য অপসারণে মাঠে প্রতিমন্ত্রী টুকু
র্জ্য অপসারণে মাঠে প্রতিমন্ত্রী টুকু | ছবি: এখন টিভি
0

কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলে শুরু হয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান। আজ (শুক্রবার, ২৯ মে) সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নেতৃত্বে শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকা ও প্রধান সড়কে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনের পর বেবিস্ট্যান্ড মাদ্রাসা মাঠ থেকে থানা মোড় ও বাজার এলাকার প্রধান প্রধান সড়কে চলছে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক ঝাড়ুসহ বিভিন্ন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সরঞ্জাম নিয়ে শহরের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে থাকা বর্জ্য অপসারণে অংশ নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব জাহিদ হোসেন মালা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী ইথেন, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামালসহ শহর ও থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা।

আয়োজকরা জানান, কোরবানির ঈদের পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পশুর বর্জ্য থেকে জনদুর্ভোগ তৈরি হয়। পৌরসভার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ও সচেতন করতেই টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী ইথেন বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী টুকু নেতৃত্বে আজ সকাল থেকেই বেবিস্ট্যান্ড এলাকার বেহাল সড়ক পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছি আমরা। আশা করছি, আজকের মধ্যেই শহরের দৃশ্যমান বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হবে।’

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। মানুষকে সচেতন করা এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। সম্মিলিত উদ্যোগ নিলে টাঙ্গাইলকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহরে পরিণত করা সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদেরই দায়িত্ব। পৌরসভার একার পক্ষে অল্প সময়ে পুরো শহর পরিষ্কার করা কঠিন। তবে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করলে দ্রুত শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে।’

এফএস