আজ (সোমবার, ২৫ মে) বিকেলে মহাসড়কের নগরজলফৈ, রাবনা, এলেঙ্গাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাসে, আবার অনেকেই কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাস না পেয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক পিকআপে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
বগুড়াগামী এক যাত্রী এনামুল হক বলেন, ‘আমি টাঙ্গাইল শহরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। ৩০০ টাকার ভাড়া আজকে চাচ্ছে ৯০০ টাকা। তাই বাধ্য হয়ে ৪০০ টাকা দিয়ে ট্রাকে যাচ্ছি।’
সিরাজগঞ্জগামী এক যাত্রী টুটুল মিয়া বলেন, ‘স্বাভাবিক বাস ভাড়া ১০০ টাকা। আজকে বাস না পেয়ে ২০০ টাকা দিয়ে পিকআপে যাচ্ছি।’
আরও পড়ুন:
নাটোরের সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দেড় ঘণ্টা এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থেকেও বাস না পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। ঢাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হলেও টাঙ্গাইলে কোনো কার্যক্রম নেই।’
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার রাত ১২টা থেকে রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী ২২ হাজার ১১২ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা। অপর দিকে ঢাকাগামী ১৭ হাজার ৮০৭ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩৬ হাজার ৭৫০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘ঈদ যাত্রায় থেকেই যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে আলাদা করে দুটি করে বুথ দিয়ে মোটারসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল আদায় চালু রাখার চেষ্টা করছি। এখনও কোনো যানজট হয়নি।’
অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।




