কারাবন্দি সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যু

সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি আব্দুল লতিফ
সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি আব্দুল লতিফ | ছবি: এখন টিভি
0

তিনটি হত্যা মামলায় কারাবন্দি সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ মারা গেছেন। গতকাল (রোববার, ২৪ মে) দিবাগত রাত ৪টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আব্দুল লতিফ সদর উপজেলার কামার বায়সা গ্রামের মৃত মুনসুর সরদারের ছেলে। তিনি সাতক্ষীরা জজ কোর্টের সাবেক পিপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির উপদেষ্টা এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন।

গত ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর খুলনার বায়রা এলাকা থেকে আব্দুল লতিফ ও তার ছেলে রাসেলকে আটক করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনটি হত্যা মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন।

সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেলার দুলাল কর্মকার জানান, গতকাল দিবাগত রাত ৩টার দিকে কারাগারের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর রাত ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রহমান জানান, রাত ৩টা ৩৫ মিনিটে জেল কর্তৃপক্ষ আব্দুল লতিফকে বুকে ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর রাত ৪টায় তিনি মারা যান।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের পরে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক এ পিপির বিরুদ্ধে আটটি হত্যা ও নাশকতা মামলা এবং তার ছেলে রাসেলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই তারা গ্রেপ্তার এড়াতে খুলনায় আত্মগোপনে ছিলেন।

পারিবারিকভাবে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল লতিফ দীর্ঘ দিন ধরে শহরের রসুলপুর এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তার একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে। আইনগত জটিলতা এড়াতে তিনি উকিল কমিশনের মাধ্যমে ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেন।

এসএইচ