ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সাভারের বিভিন্ন খামারে এখন ব্যস্ততার শেষ নেই। প্রাকৃতিক উপায়ে গরু, মহিষ, ছাগল ও দুম্বা মোটাতাজা করে প্রস্তুত করেছেন খামারিরা।
সাভারের পূর্বহাটি এলাকার লালন ডেইরি ফার্ম, সাভার এগ্রোসহ উপজেলার ১ হাজার ২৩৯টি খামারে চলছে কোরবানির পশু প্রস্তুতের ব্যস্ততা। প্রাকৃতিক উপায়ে তাজা ঘাস, ভুট্টা, ভুষি, খৈলসহ বিভিন্ন খাদ্যে মোটা তাজা করে তোলার চেষ্টা করছেন খামারিরা।
খামারিরা জানান, ঘর পরিষ্কার করা হয় পাঁচবার। গরম থাকলে গোসল করানো হয় চারবার। গরুর খাবার হিসেবে ভুট্টা আছে, খুদ আছে, আবার গুড় আছে। গুড়টা মিশিয়ে দেয়া হয়।
আরও পড়ুন:
সাভারের প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুযায়ী এবার কোরবানির পশুর চাহিদা ৯৩ হাজার ৪৬৫টি। চাহিদার পূরণে ১৫ হাজার ১৮৭টি পশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। বাকিটা পূরণ করবে বিভিন্ন জেলার পশু। অনেকেই আগেভাগে খামারে গিয়ে পছন্দের পশু দেখে বুকিং দিচ্ছেন।
পশুর স্বাস্থ্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মাঠে কাজ করছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ। খামারগুলোতে নিয়মিত পরিদর্শন ও চিকিৎসাসেবা দেয়ার কথাও জানান কর্মকর্তারা।
সাভার উপজেলা উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল হক বলেন, ‘সাভার থেকে যারা গরু ক্রয় করবেন তারা আশা করা যায় যে ভালো গরু ক্রয় করবেন, এন্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড মুক্ত এবং কোন রকম খাবার খাবারে ভেজাল মুক্ত খাবার পরিবেশন করে এই সমস্ত পশুগুলিকে বা প্রাণীগুলিকে খামারিরা তাদের কুরবানির জন্য উপযুক্ত করেছেন।’
ঈদে ভালো দাম পেলে লোকসানের শঙ্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে আশা খামারিদের।




