নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২ মে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে সিলেট আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে শহরকে নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে। মেরামত হচ্ছে নগরীর রাস্তাঘাট, রং তুলিতে রাঙানো হচ্ছে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনাকে।
প্রধানমন্ত্রীর এ আগমন সিলেটের মানুষের জন্য কেবল একটি রাজনৈতিক সফর নয়, এটি নতুন উন্নয়নের স্বপ্নের সূচনালগ্ন—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ নাগরিকদের। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংকট, ভঙ্গুর রাস্তাঘাট এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার কাজের ধীরগতি—প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে অনেকটাই গতি পাবে বলে আশা তাদের।
স্থানীয়রা জানান, আমাদের নানা সংকট আছে। এগুলোর সমাধান হবে আশা করি। তাদের দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ হবে বলে আশা করছেন তারা।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর তরফ থেকে নেয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি। তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক শক্তিকে আরও সুসংহত করবে এবং স্থানীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
আরও পড়ুন:
সিলেট জেলা বিএনপি প্রশাসক-সিসিক ও সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘সর্বোচ্চ দিয়ে আমরা দিয়ে নেতাকর্মীরা তার আগমন এবং প্রস্থানকে আমরা সুন্দরভাবে করতে চাই।’
সিলেট মহানগর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লুদি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর এ আগমনের মধ্য দিয়ে সিলেটের মানুষ গত দেড় দশক কাঙ্ক্ষিত এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে সেই প্রত্যাশিত সিলেট আমরা পাব—এটি আমাদের প্রত্যাশা।’
সিলেট জেলা বিএনপি সংসদ সদস্য ও সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘অবশ্যই আমরা সিলেটবাসী আশান্বিত, উনি আসার পরে আমাদের বিশেষ করে সিলেটের সঙ্গে ঢাকার যে যোগাযোগ ব্যবস্থা—স্থলপথ, আপনার আকাশপথ সবগুলোতে যাতে রেলপথ আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাটা কীভাবে হবে, উনি একটা পরামর্শ দিয়ে যাবেন, দিকনির্দেশনা দিয়ে যাবেন।’
সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—সকাল ১১ টায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন গৃহীত প্রকল্পের উদ্বোধন, বেলা ১২টায় বাসিয়া খাল খনন এবং বিকেল ৩টায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর উদ্বোধন।





