আজ (মঙ্গলবার, ১৬ জুন) দুপুরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
পরে নোয়াখালী সার্কিট হাউসে এসে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এসময় তিনি বলেন, ‘সরকারের ১৭ বছরের নিয়োগ দেয়া লোকজন এবং তাদের দালালরা হাসপাতালকে জিম্মি করে রেখেছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের প্রত্যাহার করা হয়েছে পাশাপাশি তিন সদস্যের কমিটি গঠনের জন্য আমি নির্দেশ দিয়েছি।’
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি হাসপাতালে আজ সফরে এসে যা দেখেছি তা খুবই জঘন্য। এত অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে একটি হাসপাতাল চলতে পারে না। আমরা ধীরে ধীরে এর সবকিছুই ঠিক করে ফেলবো। নোয়াখালীর বর্তমান সিভিল সার্জনকে আমি মৌখিকভাবে হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়কের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছি।’
আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের অব্যবস্থাপনা আমাদের অনেকদূর পিছিয়েছে। সবমিলিয়ে স্বাস্থ্যখাত একটি বিপর্যস্ত অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সারা দেশে এমন জঞ্জাল সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে অনিয়ম-দুর্নীতি, যেখানেই আমরা হাত দেই সেখানেই অব্যবস্থাপনা আর খারাপ অবস্থা। সেটি রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব না। সাড়ে তিন মাসে সব পরিবর্তন সম্ভব না।’
এসময় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক হারুন অর রশিদ সহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





