আজ (রোববার, ২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ভাসান্যাদম ইউনিয়নের একটি গ্রামে হাতিটির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যরা। হাতিটিকে ওষুধ খাওয়াতে গেলে সেটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তারা।
বন বিভাগ বলছে, গত ১০ এপ্রিল পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় সিভাসুর একটি যৌথ বিশেষজ্ঞ দল অসুস্থ বন্য হাতিটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসা প্রদান করে। সিভাসুর ভেটেরিনারি সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ড. বিবেক চন্দ্র সূত্রধর এ কার্যক্রমের নেতৃত্বে দেন। এরপর থেকে নিয়মিতভাবে হাতিটিকে ওষুধ দেয়া হচ্ছিল।
কাঁচালং ফরেস্ট চেক স্টেশনের কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম নিয়াজী জানান, মৃত হাতিটি কয়েক সপ্তাহ ধরে অসুস্থ ছিল। আজ ওষুধ খাওয়াতে গেলে সেটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে মৃত পুরুষ হাতিটির পাশে একটি স্ত্রী হাতি দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থান নিয়েছে। স্ত্রী হাতিটি সরে গেলে মৃত হাতিটির ময়নাতদন্ত শেষে মাটিচাপা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।





