স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে সোহেল খান তার রান্নাঘর নির্মাণের জন্য বাড়ির পাশে একটি গাছ কাটছিলেন। গাছটি পল্লী বিদ্যুতের মেইন লাইনের খুব কাছাকাছি ছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করেই গাছটি কাটার একপর্যায়ে তা সরাসরি বৈদ্যুতিক তারের ওপর গিয়ে পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যেই সোহেল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।
ছেলের অবস্থা দেখে তাকে উদ্ধারে দ্রুত এগিয়ে যান বাবা আব্দুল আজিজ খান। তাকে স্পর্শ করা মাত্রই বাবাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পড়েন এবং মারাত্মকভাবে আহত হন।
পরে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহেল খানকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আব্দুল আজিজ খানের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
তালতলী থানার ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





