নিহত সেলিম ওই গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
নিহতের বড় ছেলে মো. শাকিল অভিযোগ করে জানান, তার ছোট ভাই অন্তর (১৫) একই এলাকার সজলের (১৭) সঙ্গে চলাফেরা করতো। শনিবার দুপুরে মোবাইল ফোনে নাম ধরে ডাকাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে সিনিয়র-জুনিয়র বিষয়ক বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সজল অন্তরকে একটি দোকানে যেতে বললেও অন্তর বাড়ি থেকে বের হয়নি।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সন্ধ্যায় সজল তার সহযোগী শাওন, ফাহাদ ও রিয়াদসহ কয়েকজনকে নিয়ে তাদের বাড়ির সামনে আসে। একপর্যায়ে অন্তরের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হলে শাকিল তাদের ধাওয়া দেন। এসময় তারা পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
শাকিল আরও জানান, এসময় পাশের দোকান থেকে তার বাবা সেলিম বাড়ির দিকে আসছিলেন। তখন সজল ও তার সঙ্গীরা তাকে মারধর করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির সময় সেলিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এসময় আকস্মিকভাবে তার মুখে আঘাত লাগে এবং তিনি পড়ে যান। পরে তার মৃত্যু হয়।’
তিনি আরও জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





