পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন হয়েছে, সংসদের শপথ হয়েছে; আমরা শপথ নিয়েছি। ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোট হয়েছে গণভোট। সেখানে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। খুব স্বাভাবিক কারণেই পার্লামেন্টে বিল রেইজ হবে। ‘হ্যাঁ’র শপথের কোনো প্রয়োজন নেই, ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক জাতীয় সংসদে বসা মাত্রই কার্যকর হবে।’
তিনি বলেন, ‘যেখানে ‘না’ ভোট হয়েছে, সেখানে ‘না’ ভোট অনুযায়ী পার্লামেন্টে রেইজ হবে, আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। সুতরাং এ ব্যাপারে ওনারা যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আমি মনে করি যারা আইনবিদ রয়েছেন তারা ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এ বিষয়ে আরও ভালোভাবে জানা দরকার, বলা দরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রহণযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য যে রায় জনসাধারণ দিয়েছেন ‘হ্যাঁ’ ভোট, সেটি অটোমেটিক নীতি নির্ধারণ অনুযায়ী দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে পার্লামেন্ট থেকে রেইজ করার মধ্যে দিয়ে; সেটি কার্যকর হবে। এখানে শপথ নেয়ার কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।’
আরও পড়ুন:
এ্যানি বলেন, ‘দেশটাকে কিভাবে আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিবেন, সেই বিষয়ে কথা বলা দরকার। মতপথ ভিন্ন থাকতে পারে, সব ইস্যুতে বিরোধিতা করতে হবে; এমন অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসতে হবে। আমার মনে হয় দেশটা গড়ার জন্য সবাই একসঙ্গে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজে মনযোগী হওয়া দরকার।’
শহিদ বেদীতে অনেকে এসে মবের শিকার হয়েছে, সরকারের প্রশাসন এখানে কতটুকু সফল সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যারা মব করছেন এখান থেকে সরে আসাই উচিত। মব মানে একটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করা। মব কালচার বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে। সুতরাং মব কালচার থেকে ফিরে এসে সবাইকে দায় দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। সরকার এবং দেশকে সহযোগিতা করার জন্যই কাজ করতে হবে। কেউ যদি এর বাইরে কিছু করতে চান, সেটার দায়দায়িত্ব তাদের ওপর বর্তাবে।’





