ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ

অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন
অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন | ছবি: সংগৃহীত
0

ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন। গতকাল (রোববার, ১৫ মার্চ) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিক নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেনকে এ দায়িত্ব দেয়ায় জেলা বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং নেতাকর্মীদের পাশে থাকার কারণেই তিনি এই দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।

এদিকে নিয়োগের খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে এবং বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট দিতে দেখা গেছে।

জেলা বিএনপির নেতারা জানান, জেলা বিএনপির নেতারা জানান, অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন সংগঠনের দায়িত্ব পালনকালে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ঝালকাঠির ৩২টি ইউনিয়ন, ৩০৬টি ওয়ার্ড ও ৬টি ইউনিটে সম্মেলন সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিরলস কাজ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:

নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন জানান, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের যে অঙ্গীকার বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করেছিলেন, তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটছে বিভিন্ন জেলায় প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে। তিনি এ দায়িত্ব দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. সৈয়দ হোসেন হোসেন বলেন, ‘যোগ্য ও পরীক্ষিত একজন নেতাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা অনুপ্রাণিত হয়েছেন।’

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন বলেন, ‘দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন নানা হামলা-মামলা ও নির্যাতনের মুখোমুখি হলেও তিনি আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে কখনও সরে দাঁড়াননি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন আস্থাভাজন নেতা।’

দলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কারণে জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে তিনি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

এফএস